“ছায়ার খোঁজে” – পর্ব ২
লেখক: অনিমেষ রায় জয়ন্ত
পরের দিন শহরের অচেনা রাস্তায় অনিমেষ ও রোহিনী হাঁটছিল। বৃষ্টি এখন থেমে গেছে, কিন্তু আকাশের মেঘ এখনও ছায়া ফেলে রাখছিল।
“তোমাকে বিশ্বাস করি কি না…” অনিমেষ বলল, “আমি জানি না।”
রোহিনী হেসে বলল, “অনিমেষ, কখনও বিশ্বাস না করা জীবনকে কেবল অন্ধকারে ফেলে দেয়। কিন্তু তুমি যদি আমাকে বিশ্বাস না করো, তাহলে আমরা সত্যির কাছে কখনো পৌঁছাতে পারব না।”
তাদের হাতের স্পর্শই যেন এক অদ্ভুত শক্তি। কিন্তু হঠাৎ, কোনরকম শব্দ শুনে রোহিনী থেমে গেল।
“কেউ আছে,” সে চিৎকার করল।
অনিমেষ চারপাশে তাকাল। কেবল ছায়া—কেউ সরাসরি দেখা যায়নি। কিন্তু মনে হচ্ছিল, কেউ তাদের প্রতি নজর রাখছে।
রোহিনী এক অন্ধকার গলিতে নিয়ে গেল তাকে। “এই লুকানো ঘরে আছে এমন তথ্য, যা শহরের মানুষ কখনো জানতে পারবে না। কিন্তু মনে রেখো, একবার আমরা ভিতরে ঢুকলেই, ফিরে আসা সহজ হবে না।”
ঘরে ঢুকে, তারা একটি পুরনো বক্স পেল। রোহিনী সাবধানভাবে লক খুলল। ভেতরে ছিল এক ঝুলি কাগজ—যেখানে লেখা ছিল শহরের গোপন চক্রের তথ্য।
“এটা যদি বাইরে চলে যায়…” রোহিনী হঠাৎ থেমে গেল।
অনিমেষ জানল, এটা শুধু রহস্য নয়, শহরের মানুষদের জন্যও বিপদ তৈরি করতে পারে।
“আমরা কি করব?” অনিমেষ জিজ্ঞেস করল।
রোহিনী এক মুহূর্ত থেমে, চোখে অদ্ভুত দীপ্তি নিয়ে বলল, “আমরা সত্যিটা জানব। এবং যদি প্রয়োজন হয়, আমরা সবাইকে রক্ষা করব। কিন্তু এর জন্য আমাদের একে অপরের ওপর পুরোপুরি ভরসা রাখতে হবে।”
সেই রাতে, অনিমেষ তার ঘরে ফিরে এসে জানল—রোহিনী শুধু একটি রহস্য নয়, এক অদ্ভুত আকর্ষণ। তার হৃদয় যেন অচেনাভাবে কেঁপে উঠছে।
তাদের যাত্রা শুরু হয়েছে—রোমান্স, রহস্য, এবং প্রতিটি ধাপে ঝুঁকি। এবং শহরের ছায়ার মধ্যে, কেউ হয়তো তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ নজর রাখছে।
শেষ ক্লিফহ্যাঙ্গার:
রাত্রির শেষ দিকে, অনিমেষের ফোনে একটি অজানা নাম্বার থেকে মেসেজ আসে:
"তুমি যা খুঁজছো, তা আসলে কখনো তোমার নয়। আজ রাতে সব কিছু বদলে যাবে।"
---


thanks for your opinion..💜💙💚🥀